রো’জা রে’খে কৃ’ষকের ধান কেটে দিলেন যুবদল নেতাকর্মীরা।

কৃ’ষক বাঁ’চলে দেশ বাঁচবে এই স্লোগানকে সামনে রেখে আরো এক অসহায় কৃষকের ধান কে’টে দিলেন সোনারগাঁও থানা যুবদলের নেতাকর্মীরা।

শু’ক্রবার স’কালে রোজা রেখে বারদী ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ড মছলন্দপুর গ্রামের জামানের ৪০ শতাংশ জমির ধান কে’টে বাড়িতে পৌঁছে মাড়াই করে দেন তারা।

না’রায়ণগঞ্জ জে’লা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বারদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সেলিম হোসেন দিপুর নেতৃত্বে যুবদল নেতাকর্মীরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

তি’নি আ’রো বলেন, দেশের এ দূর্যোগময় সময়ে একজন কৃষক টাকার অভাবে ক্ষেতের পাকা ধান কাটতে পারছে না।

আ’বার অ’নেক কৃষক শ্র’মিক না পেয়ে পাকা ধান কাটতে পারছে না।

আ’র আ’মাদের দেশের কৃষকরা ঘরে ধান তুলতে না পারলে আমরা ভাত খেতে পারব না।

দে’শে দেখা দিবে দুর্ভিক্ষ।

তা’ই আ’মাদের যুবদলের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব কৃষকদের ধান কাটতে সাহায্য করছি।

আ’মাদের যত ক’ষ্ট হোক আমরা এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখবো।

উ’ল্লেখ্য, না’রায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকায় এ পর্যন্ত করো’নায় আ’ক্রান্ত হয়েছে ৬২৭ জন, সদর উপজে’লায় ৩৬৬ জন, বন্দর উপজে’লায় ২৬ জন, আড়াইহাজারে ২৮ জন, সোনারগাঁয়ে ৩৩ জন ও রূপগঞ্জে ১৬ জন।

এ’রই মধ্যে সিটি করপোরেশন এলাকায় মা’রা গেছে ৩৭ জন, সদরে ১১ জন, বন্দরে একজন , রূপগঞ্জে একজন ও সোনারগাঁয়ে দুজন।

এ’র ম’ধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ৫৮ জন।গে কখনো লা’শ গোসলের অ’ভিজ্ঞতা না থাকলেও ইতিমধ্যে শিখে নিয়েছেন নিয়ম’রীতি।

য’ত দিন করো’না থাকবে, তত দিন মৃ’তদেহের গোসল করানোর কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানান তিনি।

ই’উপি স’দস্য রোজিনা আক্তার বলেন, ‘আমা’র স্বামী মা’রা গেছেন।

মা, দু’ই ছে’লে ও তাদের পরিবার নিয়ে আমাদের সংসার।

প্র’থমে আমি আমা’র দুই ছে’লের সঙ্গে কথা বলি, তাদের বুঝাই এবং তাদের উৎসাহের আমি এ কাজে নিয়োজিত হই।

এ কা’জে ভয় আছে কিন্তু এই মহামা’রির সময় আমি বসে থাকতে পারি না।

আ’মি মানুষের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছি।

এ’খন এলাকাবাসীও আমাকে উৎসাহ দেয়।’

স’কলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘করো’না পরিস্থিতিতে আমাদের সকলকে সরকারি নির্দেশনা মানতে হবে।

সা’মাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

আ’মি সকল জনপ্রতিনিধিদের বলবো, আপনারা নিজ নিজ স্থান থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ান।’

উ’ল্লেখ্য, না’রায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকায় এ পর্যন্ত করো’নায় আ’ক্রান্ত হয়েছে ৬২৭ জন, সদর উপজে’লায় ৩৬৬ জন, বন্দর উপজে’লায় ২৬ জন, আড়াইহাজারে ২৮ জন, সোনারগাঁয়ে ৩৩ জন ও রূপগঞ্জে ১৬ জন।

এ’রই ম’ধ্যে সিটি করপোরেশন এলাকায় মা’রা গেছে ৩৭ জন, সদরে ১১ জন, বন্দরে একজন , রূপগঞ্জে একজন ও সোনারগাঁয়ে দুজন।

এ’র মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ৫৮ জন।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *