1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জে কোরবানির ডিজিটাল পশুর হাট কুড়িগ্রাম জেলা যুবলীগের উদ্যোগে অন্ধ প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ টাকা ও খাদ্য বিতরণ কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিনামূল্যে শাক-সবজি বাজার উ‌দ্বোধন করিমগঞ্জ থেকে গাঁজা ও নগদ অর্থ’সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব আশরাফ আলী সোহান একজন তরুন উদ্যোক্তা সব্যসা‌চী লেখক ও ক‌বি ‌সৈয়দ শামসুল হ‌কের সমাধী‌তে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলী‌গের শ্রদ্ধা বাংলা’র শিক্ষক গাইছেন হিন্দিতে! কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক দানিস আর নেই হিয়া ইলেক্ট্রনিক্সকে অবাঞ্ছিতকরন প্রসঙ্গে কিশোরগঞ্জে বিশাল আকৃতির ষাঁড় নাম তার ভাটির রাজা; কুরবানিতে বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত

সন্তা’নদেরকে কুরআন শি’খাচ্ছে বেদে সর্দার, পড়াচ্ছেন কওমি মাদরাসায়

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২০
  • ৩৩ সংবাদটি দেখা হয়েছে

ঝালকাঠির সু’গন্ধা, বি’ষখালী ও গাবখান নদীর মোহনায় প্রস্তাবিত ইকো’পার্কে অস্থা’য়ীভাবে বসবাস করছেন অনেকগু’লো বেদে পরিবার। কয়েকটি বহর নিয়ে এখানে তারা আশ্রয় নিয়েছেন। তারই একটি বহরের সর্দার মো. আশরাফ আলী (৩৫)। ১৮ বছর বয়সে তিনি দাম্পত্য

 

জীবন শু’রু করেন। ইতোমধ্যে তাদের সংসারে ৪ ছেলের জন্ম হয়। বড় ছেলে আশিক আহমেদ স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন, মেজ ছেলে আতিকুল ইসলাম কোরআনের হাফেজ, যাত্রাবাড়ী কওমি মা’দরাসার ছাত্র। তৃতী’য় জন মো. হুসাইন আহমেদ (১৪) কোরআন দেখে শু’দ্ধভাবে পড়া শিখে (ক্বারিয়ানা) এখন প’ঞ্চম পারায় হেফজ পড়ছে।

 

আর ছোট ছেলে হাসান আহমেদ (১২) কোরআন দেখে শু’দ্ধভাবে (ক্বারিয়ানা)পড়তে পারে। বেদে বহরে কখনও ডাঙায় আবার কখনও পানিতে বসবাস করে পূর্ব পুরুষের ন্যা’য় তাদের জীবন অতিবাহিত হচ্ছে। সাধারণত বেদেরা নিরক্ষর হয়ে থাকে। সেখানে ৪ স’ন্তানের মধ্যে ৩ জনকে মা’দরাসা শিক্ষায় সুশিক্ষিত করে ব্য’তিক্রমী নজির সৃষ্টি

 

করছেন সর্দার মো. আশরাফ আলী। মুন্সি’গঞ্জ জে’লার লৌহজং থানার গোয়া’লিমন্ডার গ্রামের মো. মোসলেম আলী সর্দারের ছেলে আশরাফ আলী। তিনিও বেদেদের একটি বহরের সরদার। বং’শ পর’ম্পরায় বেদে হিসেবে যাযাব’র থেকেই তারা জীবনযাপন করছেন। আশরাফ আলী জানান, জন্ম থেকেই নৌকায় বসবাস করে আসছি।

 

 

শিক্ষা অ’র্জন ভাগ্যে জোটেনি। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই আরেক বেদের মেয়ে ফরিদা বেগমের স’ঙ্গে বিয়ে হয়। যেখানে নৌবহর গিয়ে থামে সেখানেই ডাঙায় স্থান নিই আমর’া। ওই এলাকা ও পা’র্শ্ববর্তী গ্রামে ঘুরে কড়ি, মালা, মা’দুলি বিক্রি করি। তিনি বলেন, প্রথম সন্তান আশিক আহমেদের বয়স যখন ৫ বছর হয় তখনই তাকে ধ’র্মীয় ও

 

নৈতিক শিক্ষায় শি’ক্ষিত করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু আশিকের অনাগ্রহের কারণে আর স’ম্ভব হয়নি। এরপর দ্বিতীয় সন্তান মো. আতিকুল ইসলাম পৃথিবীতে আসে। তাকে মা’দরাসায় পড়িয়ে কোরআনের হাফেজ বানিয়েছি। সে এখন ঢাকায় যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি কওমি মা’দরাসার ছাত্র। এপর তৃতীয় সন্তান হু’সাইন আহমেদের জন্ম হয়। তার দুই বছর পরই জ’ন্ম হয় মো. হাসান

 

আহমেদের। আমা’দের স’ঙ্গে থেকেই তারা বড় ‘হতে শুরু করে। প্রত্যেককে ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা দিয়ে ঝালকাঠি জে’লার রাজাপুর উপজে’লার বাইপাস মোড়ে বেলায়েত ক্বা’রীর মা’দরাসায় ভর্তি করে দিই। সেখানে তারা শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে পার্শ্ববর্তী পিরোজপুর জে’লার

 

ভান্ডারিয়া উপজে’লার ধাওয়া কওমি মা’দরাসায় কোরআন শি’ক্ষা নিচ্ছে। শিক্ষার খরচের বি’ষয়ে আশরাফ আলী জানান, আমর’া গরিব মানুষ। সেভাবে খরচ দিয়ে চালাতে পারি না। যা পারি তা মা’দরাসা প্রধানের কাছে দিই। বাকিটা তিনিই ব্যবস্থা করে চালিয়ে নেন। কোরআন

 

শিক্ষা দেয়ার উ’দ্যোগের বি’ষয়ে তিনি বলেন, আমর’া গরিব হলেও তো মুসলমান। পেশার দিক থেকে আমর’া তেমন ধ’র্ম পালন করতে পারি না। তাই ছেলেদেরকে কুরআন শিক্ষা দিতে শু’রু করেছি। মর’ার পরে যেন ওরা আমা’দের জন্য দোয়া করতে পারে। ওরাই এখন আমা’র

 

আশা-ভরসার স্থ’ল। আশরাফ আলীর সন্তান হুসাইন আহমেদ জানায়, ২০১৭ সালের জুলাই মাসে কুরআন শেখা শুরু হয় তার। রাজাপুর দারুল উলুম কওমী (বেলায়েত ক্বারীর মা’দরাসা নামে খ্যাত) মা’দরাসায় প্রথম ছবক নেয় সে। ২০১৯ সালের ন’ভেম্বর মাসে কুরআন দেখে শু’দ্ধভাবে পড়া শিক্ষা (ক্বারিয়ানা) সম্পন্ন করে ১

 

ডিসেম্বর কুরআন মু’খস্ত করে (হিফজ) পড়া শুরু হয়। এরপর ভান্ডারিয়া ধাওয়া কওমি মা’দরাসায় ভর্তি হলে সেখানে বর্তমানে ৫ম পারার ১৯পৃ’ষ্ঠায় হেফজ পড়ছে সে। গত রমজানে বরগু’না জে’লার বামনা লঞ্চঘাট সাহেবের বাড়ি জামে মসজিদে তারাবির নামাজ পড়িয়েছে বলেও

 

জানায় হুসাইন। আরেক ভাই হাসান আহমেদ জানায়, বড় ভাই যেখানে গিয়ে পড়ে আমিও তার স’ঙ্গে স’ঙ্গে থাকি। রাজাপুর দারুল উলুম কওমি মা’দরাসায় প্রথম ছবক নিই। বর্তমানে ভা’ন্ডারিয়া ধাওয়া কওমি মা’দরাসায় কোরআন দেখে শু’দ্ধভাবে (ক্বারিয়ানা) ২৭তম পারায় পড়ছি। কোরআন শি’ক্ষা নিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করে

 

তারা জানায়, আমা’দের সবাই স্নে’হ করে ও ভালোবাসে। ইকো’পার্ক সংল’গ্ন কিফাইতনগর (পুরাতন ফেরিঘাট) জামে মসজিদে জামায়াতের স’ঙ্গে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আ’দায় করি।

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony