1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জে কোরবানির ডিজিটাল পশুর হাট কুড়িগ্রাম জেলা যুবলীগের উদ্যোগে অন্ধ প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ টাকা ও খাদ্য বিতরণ কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিনামূল্যে শাক-সবজি বাজার উ‌দ্বোধন করিমগঞ্জ থেকে গাঁজা ও নগদ অর্থ’সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব আশরাফ আলী সোহান একজন তরুন উদ্যোক্তা সব্যসা‌চী লেখক ও ক‌বি ‌সৈয়দ শামসুল হ‌কের সমাধী‌তে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলী‌গের শ্রদ্ধা বাংলা’র শিক্ষক গাইছেন হিন্দিতে! কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক দানিস আর নেই হিয়া ইলেক্ট্রনিক্সকে অবাঞ্ছিতকরন প্রসঙ্গে কিশোরগঞ্জে বিশাল আকৃতির ষাঁড় নাম তার ভাটির রাজা; কুরবানিতে বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত

সাবরিনার যত প্র’ভাবশালী বয়ফ্রেন্ড

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০
  • ৯১ সংবাদটি দেখা হয়েছে

ডা. সাব’রিনা আরিফ চৌধুরী এখন সারাদেশ জুড়ে সবথেকে বেশি আ’লোচিত নামগুলোর একটি। জেকেজি

কেলেঙ্কারির প’রেও প্রায় ১ মাস যাবত সাবরিনা দাপিয়ে বেড়িয়েছেন, অফিস করেছেন।অবশেষে গ’ণমাধ্যমের বদৌলতে শেষ পর্যন্ত তাঁকে আ’ট’ক হতে হয়েছে। পু’লিশ আজ তাঁকে

 

আ’দালতে হাজির ক’রিয়েছে এবং তাঁর জন্য আ’দালত ৩ দিনের রি’মান্ড মজুর করেছেন।প্রশ্ন উঠেছে যে, জেকেজি হেলথ কেয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মক’র্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরী গ্রে’প্তার হওয়ার পরেও সাবরিনা কিভাবে এতদিন ধ’রাছোঁয়ার বাইরে থাকলেন এবং সাবরিনাকে

 

যে এখন গ্রে’প্তার করা হয়েছে তাতে আ’দৌ কি সাবরিনা দোষী প্রমাণিত হবেন? তাঁর বিচার হবে নাকি আইনের ফাঁকফোকরে তিনি বেড়িয়ে আসবেন?প্রশ্ন উ’ঠেছে যে,

 

জেকেজি হেলথ কে’য়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মক’র্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরী গ্রে’প্তার হওয়ার পরেও সাবরিনা কিভাবে এতদিন ধ’রাছোঁয়ার বাইরে থাকলেন এবং সাবরিনাকে যে এখন গ্রে’প্তার করা হয়েছে তাতে আদৌ কি

 

সাবরিনা দোষী প্র”মাণিত হবেন? তাঁর বিচার হবে নাকি আইনের ফাঁ’কফোকরে তিনি বেড়িয়ে আসবেন?এই প্রশ্নগুলো এই কারণেই উঠেছে যে, সাবরিনার প্রভাব বলয় অনেক বড় এবং অনেক

 

প্র’ভাবশালীদের সঙ্গে তাঁর ঘ’নিষ্ঠ স’ম্পর্ক রয়েছে। এই কারণেই সাবরিনা এতদিন সবার ধ’রাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন। অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, সাবরিনার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরী একটি ইভেন্ট

 

ম্যা’নেজমেন্ট কোম্পানি পরিচালনা করতেন এবং সাবরিনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার পরেই এই প্রতিষ্ঠানটি ফুলেফেপে ওঠে। এই প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধিকাংশ ইভেন্ট প্রায় এককভাবে করেছিল। যদিও ঐ প্রতিষ্ঠানটির এই ধরণের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট করার পূর্ব অ’ভিজ্ঞতা ছিলোনা।

অনুসন্ধানে দেখা যায় যে, সাবরিনা এই সমস্ত কাজগুলো বাগিয়ে নেওয়ার জন্যে প্রভাবশালীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতেন, তাঁদের সঙ্গে স’ম্পর্ক গড়তেন। সাবরিনার বয়ফ্রেন্ডদের তালিকা বেশ দীর্ঘ। অনুসন্ধানে দেখা গেছে আরিফ

 

সাবরিনাকে বিয়ে করে’ছিলেন মূলত তাঁর ওভাল গ্রু”পের ব্যবসা প্রসারের জন্যে। কারণ সাবরিনার যে ধরণের যোগাযোগ ছিল তা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসার জন্যে অ’ত্যন্ত সহায়ক। এই হিসেবনিকেষ করেই আরিফ সাবরিনাকে বিয়ে করেন এবং সাবরিনার শর্ত ছিল যে এই এ’ভেন্টগুলো থেকে যে আয় হবে তাঁর একটি বড় অংশ কমিশন হিসেবে পাবেন।জানা গেছে যে,

 

সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এ’কাধিক কর্মক’র্তার সঙ্গে সাবরিনার তুমি-তুমি স’ম্পর্ক এবং তাঁরা সাবরিনাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানাতেন এবং সাবরিনা তাঁদের সঙ্গে দেখা করতেন। এই সমস্ত ব্যক্তিরাই সাবরিনাকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্যে তদবির করতেন। যখন এই ওভাল গ্রুপের পক্ষ থেকে জেকেজি নামের একটি তথাকথিত

 

স্বেচ্ছা’সেবী প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হয়। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানকে করো’নার নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রে অনুমতি পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে সাবরিনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।এখন পর্যন্ত সাবরিনার সঙ্গে স’ম্পর্কের বিষয়ে একজন প্রভা

 

বশালী চিকিৎসকের নাম উঠে এসেছে, যিনি স্বাচিপের নেতা এবং বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যসোসিয়েশনের যুগ্ন মহাসচিব। তিনি বিএমএ-এর একজন উর্ধ্বতন কর্মক’র্তা। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, এই উর্ধ্বতন কর্মক’র্তা সাবরিনাকে শুধু পেশাগত জীবনে সহায়তা করেছেন। অর্থাৎ তাঁকে জাতীয় হৃদরোগ ইন্স’টিটিউটে

 

পোস্টিং পাইয়ে দিতে এবং অফিস না করে অন্য ব্যবসা-বাণিজ্য যেন দেখতে পারেন এবং সে ব্যাপারে কেউ যেন তাঁকে প্রশ্ন না করতে পারে সেসব ব্যাপারগুলো দেখাশোনা করতেন। কিন্তু একাধিক উর্ধ্বতন ব্যক্তির সঙ্গে সাবরিনার গো’পন-প্রকাশ্য স’ম্পর্কের কথা জানা যায়।অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, সাবরিনা সরকারি চাকরি করলেও তিনি একা’ধিকবার

 

ব্যক্তিগত কারণে বিদেশে গিয়েছেন। এই সমস্ত বিদেশ স’ফরগুলো প্রভাবশালীদের মনোরঞ্জনের জন্যে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। কারণ সাবরিনা যখন যখন বিদেশ গিয়েছেন তখন একাধিক গুরু’ত্বপূর্ণ ব্যক্তিও ঐ সময়ের আশেপাশে সময়ে বিদেশে গিয়েছেন। এছাড়া সাবরিনা আরিফের বাড়িতেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের

 

যাওয়া-আসা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।একজন প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ যিনি পরিবার পরিকল্পনা সেক্টরে অনেক বড় বড় ব্যবসা করেন তাঁর সঙ্গেও সাবরিনার সখ্যতার খবর পাওয়া যায় এবং সাবরিনা ঐ আওয়ামী লীগ নেতার অফিসে যেতেন বলে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

 

এছাড়াও সরকারের বিভিন্ন মহলে তাঁর যোগাযোগ ছিল। এই কারণেই এই সময়ে আরিফ গ্রে’প্তার হ’ওয়ার পরেও সাবরিনা গ্রে’প্তার হননি। এখন দেখার বিষয় যে, সাবরিনার এই প্রভাবশালী বয়ফ্রেন্ডরা তাঁকে কিভাবে বাঁ’চায় বা আদৌ বাঁ’চাতে পারে কিনা।

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony