সেবা মিলছে না চিলমারীর চরাঞ্চল এলাকার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষের দোড়গোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পেঁৗছে দেয়ার লক্ষে সরকার ইউনিয়ন পর্যায়ে চালু করেছে কমিউনিটি ক্লিনিক। কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার চরাঞ্চল কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা। বেশিরভাগ সময়ই তালাবদ্ধ থাকে ক্লিনিকগুলো এমনি অভিযোগ চরাঞ্চল কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে। ফলে আশানুরূপ সাড়া জাগাতে ব্যর্থ হচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো। প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কমিউনিটি ক্লিনিক গড়ে তোলা হলেও আশানুরূপ সেবা পাচ্ছেন না সাধারন মানুষ। ক্লিনিকে শুধু সমস্যা আর সমস্যা। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিউনিটি ক্লিনিক থাকলেও বেশিরভাগ সময়ই কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ থাকে, সময়মতো খোলা হয় না। কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে মানুষকে সার্বক্ষণিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে এর প্রতিফলন হচ্ছে না।

সরেজমিনে গেলে শাখাহাতি কমিউনিটি ক্লিনিক ও নয়ারহাট কমিউনিটি ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ দেখা যায় চরাঞ্চলবাসি জামিল হোসেন বলেন, ক্লিনিকটা প্রতি হাট বার (রবিবার, বুধবার) করে বন্ধ দেখা যায়, যে দায়িত্বে থাকে তিনি হাটের দিন করে ওপারে থাকে আসতে আসতে ১২ টা ১টা বেজে যায়, কোনদিন খোলে কোনদিন খোলে না।

শামীম মিয়া নামের এক যুবক বলেন প্রতিদিন খোলে কোন দিন ১২ টা কোন দিন ১ টাও বাজে। এভাবেই চলছে ।

ক্লিনিকগুলোতে ওষুধের সংকট রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। রোগীদের অভিযোগ, চিলমারী ক্লিনিকগুলোতে পর্যাপ্ত ওষুধ পাওয়া যায় না।

এ ব্যাপারে কমিউনিটির দায়িত্বরত সিএইচসিপি ইয়াছিন রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি ওজন পরিমাপের যন্ত্র নেয়ার জন্য সদর হাসপাতাল গিয়েছেন বলে ক্লিনিকটি বন্ধ বলে জানায়।

এ ব্যাপারে সদর হাসপাতাল এর হেলথ ইন্সপিক্টর বাবুল কুমার এর সাথে কথা বলে জানা যায়, ইয়াছিন বুধবার ঔষুধ ও ওজন মাপার যন্ত্র নেয়ার জন্য সদরে ছিল তাই বন্ধ। প্রতি হাটবার বন্ধ থাকে এমন অভিযোগের প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন এলাকার সব মানুষ তো আর এক নয় দুই একজন এমন অভিযোগ তুলতেই পারে।

পল্লী এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হলেও চিলমারীর চরাঞ্চলে কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছে না। রোগী এলেও প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র সরবরাহ না থাকায় দিন দিন কমছে রোগীর সংখ্যা। দিন দিন আস্থা হারিয়ে বসছে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর উপর।

এব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, খাউরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি মাতৃত্বকালীন ছুটিতে আছেন। সেখানে নতুন লোক দেয়া হচ্ছে। চর শাখাহাতি কমিউনিটি ক্লিনিকটির ব্যাপারে আমি জানতাম না, ব্যবস্থা নিচ্ছি।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *