৩৫০’ ধ’র্ষ’ণ করেন তিনি, বা’দ যাননি মা’ধুরী।

আ’ধখোলা জামা’র ফাঁ’ক দিয়ে উঁকি দেওয়া লকেট যেন বাড়িয়ে দিত অ’ভিনীত খলচরিত্রের ক্রূরতা। পর্দায় মোট ৩৫০ বার ‘ধ’র্ষণ’ করেছেন তিনি। ম’দ্যপান করেননি, এ রকম ফিল্ম খুঁজে পাওয়া যায় না। অথচ ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন একনিষ্ঠ নিরামিষাশী। যথাসম্ভব দূরে থাকতেন সব রকম নে’শা থেকেও।

খ’লনায়ক রঞ্জিতের পর্দা ও ব্যাক্তিগত জীবন ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর। রঞ্জিতের আসল নাম গোপাল বেদী। জন্ম ১৯৪২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর। হিন্দি ছবির ভক্ত রঞ্জিতএত বার দেব আনন্দের ‘গাইড’ এবং ‘হা’ম দোনো’ দেখেছিলেন যে, ছবি দু’টির প্রতিটি সংলাপ তাঁর মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। ছবি দেখতে ভাল লাগলেও রঞ্জিত প্রথমে চেষ্টা করেছিলেন বিমানবাহিনীতে যোগ দেওয়ার। ন্যাশনাল ডিফেন্সঅ্যাকাডেমিতে তাঁর প্র’শিক্ষণও শুরু হয়েছিল। কিন্তু খোদ প্র’শিক্ষকের মেয়ের স”ঙ্গেই তিনি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।

ফ’লে শৃঙ্খলাভ”ঙ্গের দায়ে অকালেই ফুরিয়ে গেল প্র’শিক্ষণের মেয়াদ। জীবনের এ রকম এক উদ্দেশ্যহীন সময়ে তাঁরস”ঙ্গে আলাপ হয় রাজস্থানের কোটার বাসিন্দা রঞ্জিত সিংহ ওরফে রনি-র। বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির স”ঙ্গে রনির ভাল সম্পর্ক ছিল।রনির ভরসায় মুম্বাই আসেন রঞ্জিত। বাড়িতে ছবিতে অ’ভিনয়ের কথা বলেননি। বলেছিলেন, তিনি বেড়াতে রঞ্জিতনা থাকলে তাঁর অ’ভিনেতা হওয়া ‘হত না। মনে করেন গোপাল বেদী ওরফে রঞ্জিত। ১৯৭১ সালেই মুক্তি পায় ‘শর্মিলি’। এই ছবির প্রিমিয়ারে গিয়ে ল’জ্জায় প্রায় মাথা কাটা যায় রঞ্জিতের। ছেলেকে পর্দায় মেয়েদের ’শ্লী’লতাহানি করতে দেখেকান্নায় ভেঙে পড়েন রঞ্জিতের মা। শেষে রঞ্জিতের সহঅ’ভিনেত্রী রাখি এসে তাঁকে বোঝান, তাঁর ছেলে আসলে অ’ভিনয়-ই করেছেন! ধীরে ধীরে রঞ্জিতের মা বুঝে যান, প্রতি ছবির শেষেই তাঁর ছেলেকে পুলিশ বা নায়কের হাতে প্রহৃত ‘হতেহবে।

তি’নি আ’ত্মীয়দের স”ঙ্গে ছেলের ছবি দেখতে গেলে শেষ অবধি দেখতেন না। বলতেন, ছবির শেষ অংশ অন্য এক দিন দেখবেন। পরে এক সাক্ষাৎকারে মজা করে এ কথা বলেন রঞ্জিত নিজে।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *