৩ বে’লা খেতে না পা’রা সেই ছেলেটিই আ’জ ৪০ মিলিয়ন ড’লারের মা’লিক।

প্র’দীপ যেমন চারদিকে আলো প্রদান করে, তেমনি তার নিচের অংশটুকু সবসময়ই অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকে। ঠিক এমনভাবেই আম’রা সফল ব্যক্তিদের সফলতার গল্প।দিনগুলো স’ম্পর্কে কিছু কথা বলবো। ১৯৭৯ সালের ২১শে সেপ্টেম্বর জ্যামাইকার কিংস্টনের এক বস্তিতে বসবাসকারী হতদরি’দ্র পরিবারে ক্রিসট্রপার হেনরি গেইলের জন্ম।

যাঁ’কে আম’রা চিনি ক্রিস গেইল নামে। ৬ ভাইবোনের মধ্যে গেইল তাঁর বাবা-মা’র পঞ্চম স’ন্তান।বাবা ডুডলি গেইল পেশায় একজন পুলিশ ছিলেন। কিন্তু তিনি খুব কম পরিমাণ বেতন পেতেন। অসচ্ছলতা তাই সহজে তাঁদের পরিবারের পিছু ছাড়েনি।গেইল এখন যেমন দুর্দান্ত ব্যাটসম্যান, ছোটবেলাতেও তেমনি দুরন্ত এক শি’শু ছিলেন। দারিদ্রতার জন্য তিনবেলা ঠিকমতো খাবার না পেলেও নিয়ম করে ঠিকই মা’র খেতেন তিনি। সবচেয়ে বেশি উত্তম-মধ্যম খেতে হতো মায়ের হাতে।

কা’রণটাও বেশ সঙ্গত ছিল। স্কুল পালানো, সারাদিন এখানে-ওখানে টইটই করে বেড়ানো, সমবয়সীদের স’ঙ্গে একটা সময় তাঁর ব্যাটিং জ্যামাইকান যাচাই-বাছাই শেষে তাঁকে তখন অনুর্ধ্ব-১৯ দলের জন্য মনোনীত করে। সেখানেও চমক দেখানো গেইল পরে ১৯৯৯ সালে সুযোগ পেয়ে যান জাতীয় দলে।মিলিয়ে করেছেন রেকর্ড সর্বোচ্চ ২০টি সেঞ্চু’রি।

তা’ছাড়া ফর্ম্যাটটিতে সর্বোচ্চ ব্য’ক্তিগত রান, সর্বোচ্চ বাউন্ডারি, দ্রততম সেঞ্চু’রি – ইত্যাদি সব রেকর্ডই এখন তাঁরই দ’খলে।ছোটবেলায় তিনবেলা ঠিকমতো পেট ভরে খেতে না পারা ছেলেটিই আজ ৪০ মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তির মালিক।

কি’ন্তু শৈশবের সেসব ক’ষ্টকর দিনের কথা গেইল আজো ভু’লতে পারেননি। তাই তো ইংল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজে নিজস্ব অর্থায়নে তাঁরই মতো হতদরি’দ্র কিশোর-যুবকদের জন্য গড়েছেন ‘দ্য ক্রিস গেইল একাডেমি’।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *