1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জে কোরবানির ডিজিটাল পশুর হাট কুড়িগ্রাম জেলা যুবলীগের উদ্যোগে অন্ধ প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ টাকা ও খাদ্য বিতরণ কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিনামূল্যে শাক-সবজি বাজার উ‌দ্বোধন করিমগঞ্জ থেকে গাঁজা ও নগদ অর্থ’সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব আশরাফ আলী সোহান একজন তরুন উদ্যোক্তা সব্যসা‌চী লেখক ও ক‌বি ‌সৈয়দ শামসুল হ‌কের সমাধী‌তে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলী‌গের শ্রদ্ধা বাংলা’র শিক্ষক গাইছেন হিন্দিতে! কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক দানিস আর নেই হিয়া ইলেক্ট্রনিক্সকে অবাঞ্ছিতকরন প্রসঙ্গে কিশোরগঞ্জে বিশাল আকৃতির ষাঁড় নাম তার ভাটির রাজা; কুরবানিতে বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত

৪০০ বছর পরও কেনো সৌন্দর্যের আলো ছড়াচ্ছে তুরস্কের নীল মসজিদ?

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২০
  • ১৮ সংবাদটি দেখা হয়েছে

তু’রস্ক এবং ব্লু ম’সজিদ এক ও অভিন্ন। ব্লু বা নীল মস’জিদের না’ম উ’চ্চারণের সাথে সাথেই আসে তুরস্ক আর তার ঐ’তিহাসিক ইস্তাম্বুুল শহরের কথা। ব্লু ম’সজিদ যেন ইস্তাম্বুল তথা গোটা তুরস্কেরই প্রতীক। এর নাম আসলে সুলতান আহমেদ মসজিদ।

ম’সজিদের ভে’তরে হাতে আঁকা টাইলসের মোহনীয় নীল কারুকাজের জন্য ব্লু মসজিদ বা নীল মসজিদ নামে পরিচিত।

এ ছা’ড়া দি’নের বেলায় শত শত রঙিন কাচের জানালা আর রাতে মসজিদের প্রধান পাঁচটি গ’ম্বুজসহ মো’ট ১৩টি গম্বুজ ও ছয়টি মিনার থেকে নীল আলোর বিচ্ছুরণে তৈরি হয় মোহময় পরিবেশ।

ম’সজিদটির নি’র্মাণ কাল ১৬০৯ থেকে ১৬১৬ সালের মধ্যে প্রথম আহমেদের শাসনামলে।এর পাশেই অবস্থিত তু’রস্কের আরেক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হাজিয়া সোফিয়া জাদুঘর যা প্রথমে গির্জা, পরে মসজিদ ছিল।

৪০০ ব’ছর পরও তু’রস্কের ব্লু মসজিদ আজো পৃথিবীর সুন্দর মসজিদের স্থানে গৌরবের সাথে তা’লিকাভুক্ত হয় নানা কারণে।

এর ঐ’হিহাসিক গু’রুত্ব, ধাপে ধাপে (কাসকেডিং) সাজানো গম্বুজ, ছয়টি মিনার, বিশাল সাহান, উচ্চ মূল্যবান সিলিং, অনেক দূর থেকেও দৃশ্যমান হওয়া, গা’ছাগাছালি ঘে’রা এর চারপাশের বিশাল খোলামেলা পরিবেশ, পার্র্ক সাজানো রাস্তা, বাড়িঘর, নীল জলাধাররের ফোয়ারা,মসজিদের অভ্যন্তরীণ হাতের কাজ সব মিলিয়ে ইংরেজিতে প্লেস অব ম্যাজিক অ্যান্ড ওয়ান্ডার হিসেবে পরিচিত এ মসজিদ।

বা’ইজানটাইন শা’সকদের প্রাসাদের পাশে হাজিয়া সো’ফিয়া ম’সজিদের সামনে অবস্থিত ব্লু মসজিদ। এ মসজিদের আশপাশে রয়েছে আরো অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা।

এক স’ময় এ’লাকাটি বাইজানটাইন শাসকদের রাজপ্রাসাদ ছিল এবং এর বিশাল খোলা পরিবেশ দীর্ঘকাল পরও বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে তুুরস্ক কর্তৃপক্ষ। দেয়াল, গম্বুজ, সিলিং, খুঁটির বাহারি কারুকাজ, মোহনীয় রঙের ব্যবহার, মসজিদের বি’শালত্ব, পুরনো দিনের বিশালকায় দেয়াল,সা’হানের মা’ঝে ঝর্ণা, রঙিন কাচের ২০০ জানালা, মসজিদের উপরিভাগে হাতে করা কারুকাজের ২০ হাজার সিরামিক টাইলস, কুরআনের আয়াতের ক্যালিগ্রাফি, স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য, প্রভৃতি যেমন এ মসজিদের সৌন্দর্যের উৎস তেমনি একে বিশেষত্ব দান করেছে এর বাইরের পরিবেশ।

মা’রমারা সা’গরের নীল জলরাশির পাশে এর অ’বস্থানও মসজিদটির ব্লু বা নীল নামের সার্থকতা বহ’ন করছে। এটিকে শুধু মসজিদ বললে ভুল হবে। দীর্ঘকাল ধরে তুরস্কের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে এ মসজিদ।

মু’সলমান ছা’ড়াও বিভিন্ন ধর্মের হাজার হাজার লো’কজন প্র’তিদিন এ মসজিদ দেখতে আসেন।মসজিদের ভেতরে ঘুরে দেখার ব্যবস্থা রয়েছে পর্যটকদের জন্য।

তু’রস্কে স’ফরে গি’য়ে এ মসজিদ না দেখে ফিরেছেন এমন লোক সম্ভবত খুব কম। মসজিদের মুসল্লি ধারণ ক্ষমতা ১০ হাজার। দৈর্ঘ ২৪০ ফুট, প্রস্থ ২১৩ ফুট, প্রধান গম্বুজের উচ্চতা ১৪১ ফুট। মিনারের উচ্চত ২১০ ফুট।

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony