1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan : Ashraf Ali Sohan
  2. kgnewssumon@gmail.com : arsumon :
শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ক্ষমতায় থাকা যাবে না- শায়েখে চরমোনাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে অবৈধ ইটভাটা; ১ লক্ষ টাকা জরিমানা নিকলীর সিংপুরে ভায়া পরীক্ষা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত পাকুন্দিয়ায় ১০ হাজার কম্বল নিয়ে শীতার্তদের পাশে ছমির-হালিমা ট্রাস্ট কিশোরগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের ক্ষুদ্র প্রয়াস অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের নিয়ে উন্মুক্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ শসৈনইমেক হাসপাতাল কিশোরগঞ্জে চালু হলো কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিট বিজয় দিবসে কুলিয়ারচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মুক্তিযোদ্ধা কেবিন ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাব উদ্বোধন

কলা চাষ করেই স্বাবলম্বী শতাধিক পরিবার

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৫৭৪ সংবাদটি দেখা হয়েছে

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে চরের বুকে কলা চাষ করে সাবলম্বী হয়েছে শতাধিক পরিবার। উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ওয়াপদা বাজার সংলগ্ন দুধকুমর নদীর চরের বুকে কলাবাগান করে সাবলম্বী হয়েছে পরিবারগুলো। অনাবাদি বালুচর এখন কলা বাগান নামেই বেশ পরিচিত স্থানীদের কাছে।

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, এ বছর উপজেলার বামনডাঙ্গা বেরুবাড়ি, রায়গঞ্জ, কচাকাটা, বল্লভেরখাস, কালিগঞ্জ, ভিতরবন্দসহ অন্যান্য ইউনিয়ন মিলে প্রায় ১শ ৬৫ একর জমিতে মেহের সাগর, সবরি ও অন্যান্য জাতের কলার চাষ হয়েছে। তারা কৃষকদের মাঝে গিয়ে বিভিন্নভাবে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতাও করছেন।

এছাড়াও রায়গঞ্জ ইউনিয়নের দামালগ্রাম এলাকায় ১ বিঘা জমিতে কলার প্রদর্শনী দিয়েছেন বলেও জানান তারা।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ৩ বছর আগে পরিত্যক্ত ২৫ বিঘা বালুচরে কলাবাগান করে খরচ পুষিয়ে প্রতিবছর লাভ হয়েছে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা, চলতি বছরে বন্যার ক্ষতি পুষিয়েও লাভ হয়েছে ৮ লাখ টাকা। তা দেখে স্থানীয় অনেকেই কলাচাষে আগ্রহী হচ্ছেন বলে জানান রফিকুল ইসলাম নামের এক কলাচাষী।

ইউসুফ আলী নামের আরেক কৃষক জানান, তারা কয়েকজন কৃষক মিলে এই চরাঞ্চলে প্রায় ১শ ৫০ বিঘা জমিতে ৬০ হাজারের উপর কলার চারা লাগিয়েছেন। এসব বাগান থেকে গত বছরেই বিক্রি করেছেন প্রায় অর্ধকোটি টাকার কলা।

এ বছর বৈশাখ মাস থেকেই কলার ছড়ি কেটে বিক্রি শুরু করেছেন তারা। দিনে কাটছেন ৩শ থেকে ৪শ কলার ছড়ি। এসব কলা নিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পাইকার ও আড়তদাররা।

স্থানীয় পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে এসব কলা এখন যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। একদিকে যেমন কলা বিক্রি করছেন অপরদিকে জমি খালি হওয়ায় সাথে সাথে জমি চাষযোগ্য করে নতুন করে কলার চারা লাগাচ্ছেন। এছাড়াও কিছু বাগানের নতুন করে বের হচ্ছে কলার ছড়ি।

সরকারি বা বেসরকারি অর্থ সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ পেলে বৃহৎ আকারে আরো অনেকেই কলা চাষে এগিয়ে আসবেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন স্থানীয় কৃষকেরা।

জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শামসুজ্জামান বলেন, দুধকুমর নদীর দু’ধারের চরাঞ্চলে কলা চাষ আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। আমরা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কলাচাষিদের পরামর্শ ও সহযোগিতা করে আসছি।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর