1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan : Ashraf Ali Sohan
  2. kgnewssumon@gmail.com : arsumon :
শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ক্ষমতায় থাকা যাবে না- শায়েখে চরমোনাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে অবৈধ ইটভাটা; ১ লক্ষ টাকা জরিমানা নিকলীর সিংপুরে ভায়া পরীক্ষা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত পাকুন্দিয়ায় ১০ হাজার কম্বল নিয়ে শীতার্তদের পাশে ছমির-হালিমা ট্রাস্ট কিশোরগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের ক্ষুদ্র প্রয়াস অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের নিয়ে উন্মুক্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ শসৈনইমেক হাসপাতাল কিশোরগঞ্জে চালু হলো কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিট বিজয় দিবসে কুলিয়ারচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মুক্তিযোদ্ধা কেবিন ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাব উদ্বোধন

পৃ’থিবীর শ্রেষ্ঠ দৃ’ষ্টিনন্দন ভাসমান ম’সজিদের দেশ।

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৬ মে, ২০২০
  • ৩১৯ সংবাদটি দেখা হয়েছে

মালয়েশিয়ার তিন দিকেই সমুদ্র। মাটি আর সমুদ্রের মিতালী মালয়েশিয়ার মসজিদগুলোকেও এক অনন্য বৈশিষ্ট্য দান করেছে। দেশটির বিভিন্ন শহরে এমন কয়েকটি পানিবেষ্টিত মসজিদ রয়েছে যা দেখলে ভাসমান মনে হয়।মূল্যবান ক্রিস্টাল আর সঙ্গে স্বচ্ছ কাচ ও স্টিলের দ’ণ্ড দিয়ে বানানো হয়েছে মালয়েশিয়ার ক্রিস্টাল মসজিদ।

স্ব’চ্ছতার কারণেই এই মসজিদের এমন নামকরণ। মু’সলিম স্থাপত্যের অপূর্ব এই নিদর্শনটি দাঁড়িয়ে আছে মালয়েশিয়ার তেরেনগানু এলাকার ‘পোলা ও ওয়ান ম্যান’ দ্বীপে।মালয়েশিয়ার পেনাংয়ে অবস্থিত ভাসমান আরেকটি মসজিদের নাম পেনাং মসজিদ। এই মসজিদের আরেক নাম তানজুং বুনগাহ ভাসমান মসজিদ। এটি মালয়েশিয়ার প্রথম ভাসমান মসজিদ। একে ভাসমান বলা হলেও মসজিদটি আসলে কাঠের ও’পর নির্মিত।

জো’য়ার এলে এই মসজিদকে পানিতে ভাসমান মনে হয়। মধ্যপ্রাচ্য এবং আধুনিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে নির্মিত হয়েছে মসজিদটির মিনার।দুই বছরের মাথায় নির্মাণ সম্পন্ন হয়। মসজিদে একত্রে ১৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায় করার ব্যবস্থা আছে। মসজিদের মূল অংশে রয়েছে নামাজের জায়গা, আঙিনা এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রমের জন্য কয়েকটি কক্ষ।

না’মাজের স্থা’নে রয়েছে মোট ১২টি বিশালাকায় খুঁটি। ২৫০ ফুট উঁচু প্রধান গম্বুজটি অবস্থিত মসজিদের মাঝখানে। গম্বুজের ব্যাসার্ধ ১১৮ ফুট। মসজিদের বিভিন্ন রুমে কনফারেন্স, সিম্পোজিয়াম ও সেমিনার আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে। একসঙ্গে পাঁচ হাজার লোক আঙিনায় জড়ো হয়ে বসতে পারেন।সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মসজিদটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

না’মাজের সময় মু’সলমান বাদে অন্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য প্রবেশের ক্ষেত্রে অনুৎসাহিত করা হয়। তবে দর্শনার্থী মহিলাদের জন্য গেইটের পাশে লকারে এপ্রোন ও হিজাব রয়েছে। মসজিদে প্রায়শই দেখা মেলে মালয়েশিয়ানদের জাতীয় পোশাক পরিহিত মুসল্লিদের। পুরুষরা বাজু মালায়ুর ও’পর পেটের সামনে এবং পেছনে ঝকমকে সামপিং আর মাথায় সংকু (টুপি) ব্যবহার করে। তাদের এ পোশাক দেখতে রাজকীয় পোশাকের মতোই লাগে। মহিলারা বাজু কুরুং-এর উপায়ে টুডোং পরে। এটা তাদের ঐতিহ্যগত পোশাক।দ্বিতল মসজিদের মূল ভবনে রয়েছে বিশাল আকৃতির একটি গম্বুজ।

মসজিদের চা’রপাশের দরজাগুলো খোলা। মসজিদের দক্ষিণ পাশে সাগরের ও’পর বিশাল এলাকাজুড়ে জেটির মতো মাচা নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে সাগরের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। এখানে দাঁড়িয়ে দেখা যায় দৃষ্টিসীমাজুড়ে শুধু পানি আর পানি। মসজিদ ছাড়াও মালাক্কায় পায়ে-হাঁটা দূরত্বের মধ্যে ঘুরে দেখার জন্য বেশ কিছু ঐতিহাসিক ও আকর্ষণীয় জায়গা রয়েছে।

এ’সব জায়গার অন্যতম হলো মালাক্কা সুলতানের বাড়ি, হেরিটেজ মিউজিয়াম, সেন্ট পল চার্চ, মালাক্কা ডাচ স্কয়ার, স্কাই টাওয়ার, মালয়েশিয়া মু’সলিম মিউজিয়াম, স্থাপত্য মিউজিয়াম ও মসজিদে ট্রানকুরাহ ইত্যাদি।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর