1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan : Ashraf Ali Sohan
  2. kgnewssumon@gmail.com : arsumon :
শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ক্ষমতায় থাকা যাবে না- শায়েখে চরমোনাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে অবৈধ ইটভাটা; ১ লক্ষ টাকা জরিমানা নিকলীর সিংপুরে ভায়া পরীক্ষা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত পাকুন্দিয়ায় ১০ হাজার কম্বল নিয়ে শীতার্তদের পাশে ছমির-হালিমা ট্রাস্ট কিশোরগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের ক্ষুদ্র প্রয়াস অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের নিয়ে উন্মুক্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ শসৈনইমেক হাসপাতাল কিশোরগঞ্জে চালু হলো কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিট বিজয় দিবসে কুলিয়ারচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মুক্তিযোদ্ধা কেবিন ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাব উদ্বোধন

মৌলভীবাজারের তরুণ উদ্যোগতা ক্ষুদে বিজ্ঞানী কিবরিয়া

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০
  • ৫৭২ সংবাদটি দেখা হয়েছে

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: পৃথিবীটা যখন করোনা ভাইরাসের কারনে আজ অশান্তির বেড়াজালে আবদ্ধ- তখন দেশের মানুষকে এই মহামারী(কোভিড-১৯) করোনা ভাইরাস থেকে কীভাবে সবাইকে সচেতন রাখা যায় তা নিয়ে প্রতিনিয়ত বৈজ্ঞানিক রিসার্চ করে যাচ্ছেন মৌলভীবাজারের সেই ক্ষুদে বিজ্ঞানী কিবরিয়া।

করোনা ভাইরাস শুরু হওয়ার পর যখন বাংলাদেশে প্রথম ডক্টর সেফটি চেম্বার নরাইলের একটি হাসপাতালে এমপি মাশরাফি’র অর্থায়নে স্থাপন করা হয় তখন বাংলাদেশে দ্বিতীয় ডক্টর সেফটি চেম্বার তৈরি করলো মৌলভীবাজারের সেই ক্ষুদে বিজ্ঞানী এস.এম কিবরিয়া।

কিবরিয়া জানান, এই ডক্টরস সেফটি চেম্বার দ্বারা ডাক্তার, এবং রোগী ও সাধারন মানুষ এই মহামারী করোনা ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকবেন ও ডাক্তারদের জীবনের ঝুঁকি কিছুটা কম থাকবে। এবং তিনি আরও একটি প্রজেক্ট তৈরী করেছেন, যা করোনা ভাইরাস থেকে সাধারন মানুষকে নিরাপদে রাখার জন্য বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের অর্থায়নে হাসপাতাল, উপজেলা পরিষদ, থানা কমপ্লেক্স, মসজিদ,শপিংমহল, বাজারের প্রধান গেইটের সামনে ইত্যাদি তে ব্যবহার করা হচ্ছে এই জীবাণুনাশ টানেল টি।

এই জীবাণুনাশ টানেল অটোমেটিক সেন্সর দ্বারা পরিচালিত হয়। টানেলটিতে পাঁচটি নজেল দ্বারা একদম কুয়াশার মতো স্প্রে করে। টানেলটির মধ্যে সোডিয়াম হাইড্রোক্লোরাইড লিকুইড মেডিসিন ব্যবহৃত হয়। এই জীবানুনাশক টানেলের ভিতর দিয়ে প্রবেশ করলে করোনা ভাইরাসসহ বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসকে খুবই দ্রুত ধ্বংশ করতে পারে। তিনি এই পর্যন্ত ১৪ টি ডক্টরস সেফটি চেম্বার ও ১৫ টি জীবানুনাশক টানেল বন্টন করেছেন। কিবরিয়া বলেন, আমি যদি পরিপূর্ণ সার্পোট পেতাম তাহলে এই করোনা ভাইরাস এর ভ্যাকসিন তৈরির জন্য গবেষণা করতাম। কিবরিয়া মৌলভীবাজার উপজেলার রাজনগর সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্র। বৈজ্ঞানিক রিসার্চ ও লেখা পড়ার পাশাপাশি সংবাদকর্মী হিসেবে বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করে যাচ্ছেন এই ক্ষুদে বিজ্ঞানী।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর