1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan : Ashraf Ali Sohan
  2. kgnewssumon@gmail.com : arsumon :
শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ক্ষমতায় থাকা যাবে না- শায়েখে চরমোনাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে অবৈধ ইটভাটা; ১ লক্ষ টাকা জরিমানা নিকলীর সিংপুরে ভায়া পরীক্ষা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত পাকুন্দিয়ায় ১০ হাজার কম্বল নিয়ে শীতার্তদের পাশে ছমির-হালিমা ট্রাস্ট কিশোরগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের ক্ষুদ্র প্রয়াস অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের নিয়ে উন্মুক্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ শসৈনইমেক হাসপাতাল কিশোরগঞ্জে চালু হলো কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিট বিজয় দিবসে কুলিয়ারচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মুক্তিযোদ্ধা কেবিন ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাব উদ্বোধন

মানুষের জন্য কাজ করতে চাই- বাবুল হাজী

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩১০ সংবাদটি দেখা হয়েছে

রাজনীতি করে নিজের আখের গুছানোকে আমি কখনই ভালো চোখে দেখিনি, ভবিষ্যতেও দেখবো না। সরকারের সকল সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা থাকবে। আসন্ন কিশোরগঞ্জ সদরের ৫নং যশোদল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী মো: শফিকুল হক (বাবুল হাজী) একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন।
তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আগামী ২৮ শে নভেম্বর। সেদিন সারা দেশে ১ হাজার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ ও ১০টি পৌরসভার নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। কিশোরগঞ্জ সদরের ১১টি ইউনিয়ন মধ্যে ৫নং যশোদল ইউনিয়নের নির্বাচন সবচেয়ে বেশি জমে ওঠেছে। চারটি দলীয় প্রতীক, বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে সেখানে মোট প্রার্থী সাত জন। নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার দলীয় প্রার্থী মো: শফিকুল হক (বাবুল হাজী) এর একাধিক প্রশ্নের উত্তর নিয়েছেন আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক।
প্রশ্ন: ইউপি চেয়ারম্যান কেন হতে চান?
উত্তর : স্থানীয়ভাবে মানুষের সেবা করার জন্য জনপ্রতিনিধি হওয়ার প্রয়োজন নেই এটা যেমন সত্য তেমনি জনপ্রতিনিধি না হয়ে পরিপূর্ণভাবে মানুষের সেবা করা যায় না এটাও সত্য। কারণ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সহযোগিতা মানুষের দূরগোঁড়ায় পৌঁছে দিতে হলে আপনাকে জনপ্রতিনিধি হতেই হবে। সরকারি ও বেসরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা সঠিকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এমন সিদ্ধান্ত।
প্রশ্ন: আপনি কি এই পদের জন্য নিজেকে যোগ্য মনে করেন?
উত্তর: আমি অত্র ইউনিয়নে ১৭ বছর যাবত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। দলের সকল আন্দোলন, সংগ্রাম ও নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করেছি। আমার ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে ৩০ বছর যাবত রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত আছি। ব্যক্তিগতভাবে গরীব-দু:খী মানুষের পাশে থেকে ও সকল ধরণের সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছি। সে হিসেবে নিজেকে যোগ্য মনে করছি। আশা করি মানুষও আমাকে এই পদের জন্য যোগ্য মনে করেন।
প্রশ্ন: গুঞ্জন উঠেছিল আপনি প্রার্থী হবেন না?
উত্তর: প্রথমত, দলের সিদ্ধান্ত ছাড়া আমি কোনো কাজ করি না। গত নির্বাচনে দল আমাকে মনোনয়ন দিতে চেয়েছিল, সে প্রস্তাব তখন গ্রহণ করিনি। কিন্তু বিগত নির্বাচনে অদৃশ্য শক্তির কাছে নৌকার পরাজয় মেনে নিতে পারিনি! তাই এবার নিজেই প্রার্থী হয়েছি। শেষ মুহূর্তে যদিও সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হয়েছে কিন্তু নির্বাচনের ১ বছর পূর্ব থেকে আমি প্রার্থী হওয়ার প্রচারণা চালিয়ে আসছিলাম। এবার জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার উপর আস্থা রেখেছেন। আমি আশা রাখি, জননেত্রীর সে আস্থার প্রতিফলন বাস্তবায়িত হবে-ইনশাল্লাহ।
প্রশ্ন: জয়ের ব্যাপারে আপনি কতটুকু আশাবাদী?
উত্তর: আমাদের সাংসদ সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপির নির্দেশনায় ও জেলা-উপজেলার নেতাদের পরামর্শক্রমে আমি ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছি। যেটা অন্য কোনো প্রার্থী করতে পারে নি। সাধারণ মানুষ ও নৌকা প্রেমী সকল মানুষ কথা দিয়েছে আমাকে ভোট দিবে। অতএব জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী-ইনশাল্লাহ।
প্রশ্ন: বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ে আপনার বক্তব্য কি?
উত্তর: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল। যা সম্পূর্ণভাবে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরিচালিত হয়। কেউ যদি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে দল নিশ্চয় ব্যবস্থা নিবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
প্রশ্ন: অন্য প্রার্থীদের নিয়ে আপনার কি ভাবনা?
উত্তর: আমার ইউনিয়নের মানুষের সাথে পারিবারিকভাবে ও রাজনৈতিকভাবে আমরা সম্পৃক্ত রয়েছি অনেক আগ থেকেই। ইউনিয়নের সকল মানুষ মোটামুটি আমাকে চেনে ও জানে। আমিও সবাইকে ভালোভাবে চিনি ও জানি। আমার এলাকার জনগণ ও অন্য সকল প্রার্থীদের সাথে আমার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।
প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীদেরকে আমি খাটো করে দেখছি না। শত অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করতে চাই না। আমার সাথে প্রতিদ্বন্দী আরও ছয় প্রার্থীর মধ্যে তিন জনই সাবেক চেয়ারম্যান। তাদের কর্মকান্ড সম্পর্কে মানুষ অবগত রয়েছে। আশা করি ২৮ নভেম্বর ভোটে মানুষ পূর্বের ন্যায় এমন কোনো ভুল করবেন না ।
প্রশ্ন: চেয়ারম্যান হয়ে সমাজে কি কি পরিবর্তন আনতে চান?
উত্তর : রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনার জন্য সংবিধান ও আইন রয়েছে। চেষ্টা করবো সেগুলোকে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য। আমি বিশ্বাস করি আইনের সঠিক ব্যবহার হলে সমাজ সুন্দরভাবে পরিচালিত হবে। অপরদিকে মাননীয় সাংসদের সহযোগিতায় অবকাঠামোগত যত কাজ বাকি আছে সবগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করবো। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মানুষ নিশ্চয় নৌকা মার্কায় ভোট দিবেন।
প্রশ্ন: সবার উদ্দেশ্যে কিছু বলুন….
উত্তর: মোটকথা, মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। সবার কাছে দোয়া চাই, নৌকা মার্কায় ভোট চাই।

একনজরে প্রার্থীর বিভিন্ন তথ্য: সম্পূর্ণ নাম মো: শফিকুল হক। পরিচিত নাম বাবুল হাজী। বাবার নাম আব্দুল বারিক। মায়ের নাম মোছা: বেদেনা খাতুন। কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের যশোদল ইউয়িনের মুসলিমপাড়া গ্রামে তার স্থায়ী ঠিকানা। তিনি ১৯৬২ সালের ১০ মে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় বয়স কম থাকায় যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ সম্ভব হয় নি। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সব সময় মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস নিয়ে কাজ করছেন।

ব্যক্তি জীবনে তার দুই স্ত্রী। দুই সংসারে পাঁচ মেয়ে ও তিন ছেলে রয়েছে। একাধিক মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, সমিতি ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি ও অন্যান্য দায়িত্ব পালন করছেন। ওয়ার্ড পর্যায়ে সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন পর্যায়ে সাংগঠনিক সম্পাদক ও সর্বশেষ ২০০৪ সালে সভাপতি নির্বাচিত হয়ে মোট ৩০ বছর যাবত আওয়ামী লীগের মূল দলের সাথে সম্পৃক্ত আছেন। ছাত্র জীবনে ছাত্র লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

নিজস্ব জমিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাঞ্জেগানা মসজিদ-মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন। কৃষি কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যবসাও দেখাশুনা করেন। সব মিলিয়ে একজন বাবা, একজন কৃষক, একজন সফল রাজনীতিবিদ, দক্ষ সংগঠন ও দানবীর হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর