1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan : Ashraf Ali Sohan
  2. arsumon@gmail.com : arsumon :
রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে অবৈধ ইটভাটা; ১ লক্ষ টাকা জরিমানা নিকলীর সিংপুরে ভায়া পরীক্ষা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত পাকুন্দিয়ায় ১০ হাজার কম্বল নিয়ে শীতার্তদের পাশে ছমির-হালিমা ট্রাস্ট কিশোরগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের ক্ষুদ্র প্রয়াস অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের নিয়ে উন্মুক্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ শসৈনইমেক হাসপাতাল কিশোরগঞ্জে চালু হলো কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিট বিজয় দিবসে কুলিয়ারচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মুক্তিযোদ্ধা কেবিন ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাব উদ্বোধন এনআরবিসি ব্যাংক উদ্যোক্তা সম্মাননা পেলেন আশরাফ আলী সোহান

নান্দাইলে টাকা দিল দেড় লক্ষাধিক,পেল না সেচ সংযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২২
  • ১৯১ সংবাদটি দেখা হয়েছে

টাকা দিল দেড় লক্ষাধিক, পেল না সেচ সংযোগ। এমনি একটি অভিযোগ উঠেছে কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নান্দাইল জোনাল অফিসের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবুল খায়ের ও এলাকা পরিচালক শওকত হাসানের বিরুদ্ধে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগটি দাখিল করেছেন নান্দাইল উপজেলার রাজগাতী ইউনিয়নের বনাটি গ্রামের মৃত সিরাজ আলীর ছেলে কৃষক আঃ হাই। তবে অফিস বলছে এমন কিছু ঘটেনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল হাই নান্দাইল সেচ কমিটির ছাড়পত্রসহ নান্দাইল পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে সেচের লাইন সংযোগের জন্য আবেদন করেন। আবেদন অনুমোদিত হলে সেচের লাইন সংযোগ বাবদ এক লাখ ৭৪ হাজার টাকা প্রদান করেন এবং সেচের অগ্রিম জামানত বাবদ ২ হাজার ৪ শত টাকা জমা দেন। আব্দুল হাই বিধি মোতাবেক টাকা জমা দেয়ার পর তার সেচ লাইন নির্মাণ না করে মোটা অঙ্কের টাকার লেনদেনে প্রতিবেশী মৃত তাহের উদ্দিনের ছেলে খোকন মিয়ার লাইন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ও এলাকা পরিচালকের নিজস্ব লোক দিয়ে রাতের আধারে নির্মাণ করে দেন। অবৈধভাবে খোকন মিয়ার লাইন নির্মাণের বিষয়টি নান্দাইল পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম বরাবর জানালে তিনি খোকনের সেচের লাইন বিচ্ছিন্ন করান। কিন্তু জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আবুল খায়ের ও এলাকা পরিচালক শওকত হাসান এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আবুল খায়ের কৃষক আব্দুল হাই কিভাবে লাইন সংযোগ দেন সে ব্যাপারে মোবাইল ফোনে হুমকি দেন।

অভিযুক্ত এলাকা পরিচালক শওকত হাসান বলেন, বিএডিসি’র ছাড়পত্র দিছে এখানে পল্লী বিদ্যুতের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তারা দুজন ( আঃ হাই ও খোকন) আমার মাধ্যমে এই কাজটি করে নাই।

একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে তার মাধ্যমে কেন কাজটি করাতে হবে সেটাই জনমনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

অভিযুক্ত জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবুল খায়ের বলেন, আমার উপর যে অভিযোগটি করেছে তা তাদের ঠিক হয়নি। আমার তিনজন সার্কেল এসপি আছে, আমি ওদের ছাড়ব না।

ডিজিএম বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, আব্দুল হাই অভিযোগ দেওয়ার ফলে উপজেলা সেচ কমিটি কর্তৃক প্রমাণিত হলে সেচ কমিটি লাইন কেটে দিতে বলে এবং আমরা লাইন কেটে দেই। তারপর আবার খোকন কে বা কার মাধ্যমে লাইন লাগিয়ে নেন পরে আবার কাটতে যাই এবং মালামাল আনতে যাই কিন্তু আমাদেরকে খোকনের লোকেরা লাইন কাটতে এবং মালামাল আনতে দেয়নি। তিনি আরো বলেন, যে অপরাধী তার শান্তি হউক তা আমিও চাই।

উল্লেখ্য, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবুল খায়ের এর বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে থাকা কালীন সময়েও ঘুষ নেয়ার লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর